Ad Placement

How To Added Countdown SET Timer Button In Blogger

How To Added Countdown SET Timer Button In Blogger

You can get this type of button. 
Button Demo

Your File Name this is the demo

File Size: xx MB

The timer button has some feature 

  • The button gives you a premium look 
  • It was also responsive
  • You can use for mobile and desktop visitors  
  • This is Javascript and CSS
  • You can set up a time for intent other page or link 
  • Default it has 20 second 
  • You can change this button color using your websites similar color
  • Its help to control your web ( bounce rate )
  • Its help to grow your post ( Avg. session duration over time )

How it works properly

It works simply. You can set up a time for intent on another page or links. If your website provides some essential files and, you want your website visitors wait some time. 
Then you can use this time counter button. 

If you want this coun timer button. 

Then you want to need to follow some steps⇩⇩
step:1 Open your blogger website dashboard. And click from the slider bar select ( Theme )
step:2 Open theme page and see EDIT HTML➤Click and open Html box and click it
step:3 After click Press your keyboard using  CTRL + F  ➤ Then find </head>
CSS code for style button
step:4 Now copying this CSS code. And paste it ➤ This CSS code </head>
step:5 ➽ Then find </body> tag Using the CTRL + F find option
JAVASCRIPT for style count button
step:6 ➽ Now copying this JAVASCRIPT code. And paste it ➤ This JAVA code </body>
step:7 After paste, complete this CSS and JAVA CODE ➤ Click on Save Theme.

After complete these 7 steps properly then u can use this time counter button in the posts. By using HTML codes.
HTML CODE FOR THIS BUTTON 
now you can set up your website using this method. 

কীভাবে ফেসবুক আইডি চেক করবেন, নিরাপদ বা হ্যাক আছে তা জেনে নিন।

ফেসবুক সমস্যা ,ফেসবুক ডিভাইস ফেসবুক প্রবলেম,

হ্যালো ভিউয়ার্স
টাইটেল টি দেখে বুঝতে পেরেছেন  পোষ্টটি সম্পর্কে যারা ফেসবুক ব্যবহার করেন। কিন্তু আপনার ফেসবুক একাউন্ট কোন কোন ডিভাইসে ব্যবহার করা হচ্ছে তা আপনারা অতি সহজেই দেখতে পারবেন।

আপনি যদি লক্ষ্য করেন আপনার ফেসবুক আইডিটি থেকে কোন ধরনের এক্সেস হচ্ছে যা আপনি করেননি।
এবং আপনার পরিচিত মানুষদেরকে আপনার ফেসবুক একাউন্টে থেকে মেসেজ করছে আপনার ফেসবুক আইডি টি ব্যবহার করে কোন ধরনের পোস্ট করেছে তখন আপনি ফেসবুকের সেটিং অপশন থেকে দেখে নিতে পারবেন কোন ডিভাইস টি থেকে আপনার একাউন্ট অন্য কেউ লগইন করেছে

এছাড়া আপনি ডিভাইসটির কোন শহর থেকে লগইন করা হয়েছে তাও দেখতে পারবেন

আপনাদের দেখাব আপনাদের ফেসবুক আইডিটি অন্য কেউ লুকিয়ে ব্যবহার করছে কিনা 
এর জন্য আপনাকে আমাদের দেখানো স্টেপ ফলো করতে হবে

  • ছবিতে দেখানো এবং মার্ক করা অনুযায়ী আপনাদেরকে কাজ করতে হবে। প্রথমে আপনি আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে লগইন করুন । তারপর থ্রি ডট আইকনে ক্লিক করুন এবং মেনুবার সিলেক্ট করে পেজের নিচের দিকে নিন।

কীভাবে ফেসবুক আইডি চেক করবেন, নিরাপদ বা হ্যাক হয়েছে, ফেসবুক আইডি
  • প্রথম স্টেপ টি হয়ে গেলে দ্বিতীয় স্টেপ এ স্ক্রিনশটটি দেখুন এবং পেজের নিচের দিক থেকে সেটিং অপশনে ক্লিক করুন।

কীভাবে ফেসবুক আইডি চেক করবেন, নিরাপদ বা হ্যাক হয়েছে

  • সেটিং এ ক্লিক করার পর সেটিং পেজটি ওপেন হলে নিচের স্কিন শটটি দেখুন এবং সিকিউরিটি এন্ড লগইন অপশনটি ক্লিক  করুন

Facebook id safe or haked and check it

  • উপরের সবকয়টি অপশনে ক্লিক ঠিকঠাক করলে নিচের স্ক্রিনশটটি  দেখুন এবং মার্ক করা অপশন থেকে দেখতেই পাচ্ছেন Where you'r logged in অপশনটি রয়েছে এবং তার পাশে লেখাটি see all ক্লিক করুন 


How to check Facebook id safe or haked in fb app
উপরের সকল স্টেপ ফলো করলে আশা করি আপনার ফেসবুক আইডি অন্য কেউ চালাচ্ছে কিনা এ বিষয়ে জানতে পারবেন see all অপশনে ক্লিক করলে। আপনার অ্যাকাউন্টটি কোন ডিভাইস থেকে লগইন করা হয়েছে, তাছাড়া কোন শহর থেকে লগইন করা হয়েছে কয়টার সময় লগইন করা হয়েছে সব বিস্তারিত পেয়ে যাবেন ধন্যবাদ ।

আপনাদের যদি ফেসবুক বিষয়ে কোনো সমস্যায় পড়ে থাকেন অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন।

ব্লগ টি ভাল লাগলে অবশ্যই একটি কমেন্ট করে জানাবেন ।

Ramadan calendar 2020 | রোজার ক্যালেন্ডার ডাউনলোড করুন সবার আগে

rojar calendar 2020

রোজা কবে 


২০২০ সালের রমজান ২৩ শে এপ্রিল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শুরু হয়ে ৩০ দিন স্থায়ী হবে

রমজানের সময়সূচী

Direct download


 ঢাকা,খুলনা,চট্টগ্রাম,বরিশাল,রংপুর,রাজশাহী,সিলেট সহপার্শ্ববর্তী জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি 



সিলেটClick Here




রমযান কি?


সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য।
রমযান...এটি ‘আরাবী’ বার মাসগুলোর একটি, আর এটি দ্বীন ইসলামে একটি সম্মানিত মাস। এটি অন্যান্য মাস থেকে বেশ কয়েকটি বৈশিষ্ট্য ও ফযিলতসমূহ-এর কারণে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। যেমন :
১. আল্লাহ তা‘আলা সাওমকে (রোযাকে) ইসলামের আরকানের মধ্যে চতুর্থ রুকন হিসেবে স্থান দিয়েছেন, যেমনটি আল্লাহ তা‘আলা বলেছেন :
﴿ شَهۡرُ رَمَضَانَ ٱلَّذِيٓ أُنزِلَ فِيهِ ٱلۡقُرۡءَانُ هُدٗى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَٰتٖ مِّنَ ٱلۡهُدَىٰ وَٱلۡفُرۡقَانِۚ فَمَن شَهِدَ مِنكُمُ ٱلشَّهۡرَ فَلۡيَصُمۡهُۖ﴾ [البقرة: ١٨٥]
“রমযান মাস যে মাসে আল-ক্বুরআন নাযিল করা হয়েছে, মানুষের জন্য হিদায়াতের উৎস, হিদায়াত ও সত্য মিথ্যার মাঝে পার্থক্যকারী সুস্পষ্ট নিদর্শন; সুতরাং তোমাদের মাঝে যে এই মাস পায় সে যেন সাওম পালন করে।” [সূরা আল-বাকারাহ: ১৮৫]
আর সহীহ বুখারী (৮) ও সহীহ মুসলিম (১৬)-এ ইবনু ‘উমার এর হাদীস থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
«بني الإسلام على خمس شهادة أن لا إله إلا الله وأن محمدا عبد الله ورسوله وإقام الصلاة وإيتاء الزكاة، وصوم رمضان وحج البيت»0
“ইসলাম পাঁচটি স্তম্ভের উপর প্রতিষ্ঠিত –
(i) এই সাক্ষ্য দেওয়া যে আল্লাহ ছাড়া আর কোন সত্য ইলাহ (উপাস্য) নেই, এবং মুহাম্মাদ আল্লাহর বান্দা ও তাঁর রাসূল;
(ii) সালাত প্রতিষ্ঠা করা;
(iii) যাকাত প্রদান করা;
(iv) রমযান মাসে সাওম পালন করা এবং
(v) বাইতের (কা‘বাহ-এর) উদ্দেশ্যে হাজ্জ করা”।

২. আল্লাহ তা‘আলা এই মাসে আল-কুরআন নাযিল করেছেন, যেমনটি আল্লাহ্ তা‘আলা পূর্বের আয়াতে উল্লেখ করেছেন:
﴿ شَهۡرُ رَمَضَانَ ٱلَّذِيٓ أُنزِلَ فِيهِ ٱلۡقُرۡءَانُ هُدٗى لِّلنَّاسِ وَبَيِّنَٰتٖ مِّنَ ٱلۡهُدَىٰ وَٱلۡفُرۡقَانِۚ﴾ [البقرة: ١٨٥]
“রমযান মাস যে মাসে তিনি আল-কুরআন নাযিল করেছেন, তা মানবজাতির জন্য হিদায়াতের উৎস, হিদায়াত ও সত্য মিথ্যার মাঝে পার্থক্যকারী সুস্পষ্ট নিদর্শন।” [আল-বাকারাহ : ১৮৫]
তিনি - সুবহানাহূ ওয়া তা‘আলা- আরও বলেছেন :
﴿ إِنَّآ أَنزَلۡنَٰهُ فِي لَيۡلَةِ ٱلۡقَدۡرِ ١ ﴾ [القدر: ١]
“নিশ্চয়ই আমি একে (আল-কুরআন) লাইলাতুল ক্বাদ্রে নাযিল করেছি।” [আল-ক্বাদ্র : ১]

৩. আল্লাহ এ মাসে লাইলাতুল ক্বাদ্র রেখেছেন যে মাস হাজার মাস থেকে উত্তম যেমনটি আল্লাহ্ তা‘আলা বলেছেন :
﴿ إِنَّآ أَنزَلۡنَٰهُ فِي لَيۡلَةِ ٱلۡقَدۡرِ ١ وَمَآ أَدۡرَىٰكَ مَا لَيۡلَةُ ٱلۡقَدۡرِ ٢ لَيۡلَةُ ٱلۡقَدۡرِ خَيۡرٞ مِّنۡ أَلۡفِ شَهۡرٖ ٣ تَنَزَّلُ ٱلۡمَلَٰٓئِكَةُ وَٱلرُّوحُ فِيهَا بِإِذۡنِ رَبِّهِم مِّن كُلِّ أَمۡرٖ ٤ سَلَٰمٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطۡلَعِ ٱلۡفَجۡرِ ٥ ﴾ [القدر: ١، ٥]
“i. নিশ্চয়ই আমি একে লাইলাতুল ক্বাদরে (আল-কুরআন )নাযিল করেছি।
ii. এবং আপনি কি জানেন লাইলাতুল ক্বাদ্র কি?
iii. লাইলাতুল ক্বাদ্র হাজার মাস অপেক্ষা অধিক উত্তম।
iv. এতে ফেরেশতাগণ এবং রূহ (জিবরীল-আলাইহিস সালাম-) তাঁদের রব্বের অনুমতিক্রমে অবতরণ করেন সকল সিদ্ধান্ত নিয়ে।
v. শান্তিময় (বা নিরাপত্তাপূর্ণ) সেই রাত, ফাজরের সূচনা পর্যন্ত।” [আল-ক্বাদর : ১-৫]
তিনি আরও বলেছেন :
﴿ إِنَّآ أَنزَلۡنَٰهُ فِي لَيۡلَةٖ مُّبَٰرَكَةٍۚ إِنَّا كُنَّا مُنذِرِينَ ٣ ﴾ [الدخان: ٣]
“নিশ্চয়ই আমি একে (আল-কুরআন) এক মুবারাক (বরকতময়) রাতে নাযিল করেছি, নিশ্চয়ই আমি সতর্ককারী।” [আদ-দুখান:৩]
আল্লাহ তা‘আলা রমযান মাসকে লাইলাতুল ক্বাদ্র দিয়ে সম্মানিত করেছেন, আর এই মুবারাক (বরকতময়) রাতে মর্যাদার বর্ণনায় সূরাতুল ক্বাদ্র নাযিল করেছেন।
আর এ ব্যাপারে বর্ণিত হয়েছে অনেক হাদীস। তন্মধ্যে:
আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসে তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
«أَتَاكُمْ رَمَضَانُ شَهْرٌ مُبَارَكٌ فَرَضَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ عَلَيْكُمْ صِيَامَهُ , تُفْتَحُ فِيهِ أَبْوَابُ السَّمَاءِ , وَتُغْلَقُ فِيهِ أَبْوَابُ الْجَحِيمِ , وَتُغَلُّ فِيهِ مَرَدَةُ الشَّيَاطِينِ , لِلَّهِ فِيهِ لَيْلَةٌ خَيْرٌ مِنْ أَلْفِ شَهْرٍ,مَنْ حُرِمَ خَيْرَهَا فَقَدْ حُرِمَ» رواه النسائي ( 2106 ) وأحمد (8769) صححه الألباني في صحيح الترغيب ( 999 ) .
“তোমাদের কাছে উপস্থিত হয়েছে রমযান, এক মুবারাক (বরকতময়) মাস। এ মাসে সিয়াম পালন করা আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের উপর ফরয করেছেন। এ মাসে আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেয়া হয়, এ মাসে জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়, এ মাসে অবাধ্য শয়তানদের শেকলবদ্ধ করা হয়, আর এ মাসে রয়েছে আল্লাহর এক রাত যা হাজার মাস থেকে উত্তম, যে এ রাত থেকে বঞ্চিত হল, সে প্রকৃত পক্ষেই বঞ্চিত হল।”
[বর্ণনা করেছেন আন-নাসা’ঈ (২১০৬), আহমাদ (৮৭৬৯) এবং আল-আলবানী একে ‘সাহীহুত তা্রগীব’ গ্রন্থে সহীহ হিসেবে বর্ণনা করেছেন (৯৯৯)]
আবূ হুরাইরাহ-রাদিয়াল্লাহু আনহু- এর হাদীস থেকে বর্ণিত যে তিনি বলেছেন : রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
«مَنْ قَامَ لَيْلَةَ الْقَدْرِ إيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ» رواه البخاري (1910) ومسلم ( 760 )
“যে ঈমান সহকারে এবং প্রতিদানের আশায় লাইলাতুল ক্বাদ্র (ক্বাদরের রাত্রিতে) ক্বিয়াম করবে তার অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।” [এটি বর্ণনা করেছেন আল-বুখারী (১৯১০) ও মুসলিম (৭৬০)]

৪. আল্লাহ তা‘আলা এই মাসে ঈমান সহকারে এবং প্রতিদানের আশায় সিয়াম পালন ও ক্বিয়াম করাকে গুনাহ মাফের কারণ করেছেন, যেমনটি দুই সহীহ গ্রন্থ আল-বুখারী (২০১৪) ও মুসলিম (৭৬০) - এ বর্ণিত হয়েছে আবূ হুরাইরাহ-রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর হাদীস থেকে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
«من صام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»
“যে রমযান মাসে ঈমান সহকারে ও সাওয়াবের আশায় সাওম পালন করবে তার অতীতের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।”
অনুরূপভাবে বুখারী (২০০৮) ও মুসলিম (১৭৪)-এ তাঁর (আবূ হুরাইরাহ-রাদিয়াল্লাহু আনহু-) থেকে আরও বর্ণিত হয়েছে যে তিনি বলেছেন :
«من قام رمضان إيمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه»
“যে রমযান মাসে ঈমান সহকারে ও সাওয়াবের (প্রতিদানের) আশায় ক্বিয়াম করবে তার অতীতের গুনাহ মাফ করে দেয়া হবে।”
মুসলিমদের মাঝে রমযানের রাতে ক্বিয়াম করা সুন্নাহ হওয়ার ব্যাপারে ইজমা‘ (ঐকমত্য) রয়েছে। ইমাম আন-নাওয়াউয়ী উল্লেখ করেছেন :
“রমযানে ক্বিয়াম করার অর্থ হল তারাউয়ীহের (তারাবীহের) সালাত আদায় করা অর্থাৎ তারাউয়ীহের (তারাবীহের) সালাত আদায়ের মাধ্যমে ক্বিয়াম করার উদ্দেশ্য সাধিত হয়।”

৫. আল্লাহতা‘আলা এই মাসে জান্নাতসমূহের দরজাসমূহ খুলে দেন, এ মাসে জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধ করে দেন এবং শাইত্বান (শয়তান)দের শেকলবদ্ধ করেন। যেমনটি প্রমাণিত হয়েছে দুই সহীহ গ্রন্থ আল-বুখারী (১৮৯৮) ও মুসলিম (১০৭৯)-এ আবূ হুরাইরাহ এর হাদীস হতে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
«إذا جاء رمضان فتحت أبواب الجنة , وغلقت أبواب النار , وصُفِّدت الشياطين»
“যখন রমযান আবির্ভূত হয় তখন জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং শয়তানদের শেকলবদ্ধ করা হয়।”

৬. এ মাসের প্রতি রাতে আল্লাহ জাহান্নাম থেকে (তাঁর বান্দাদের) মুক্ত করেন। ইমাম আহমাদ (৫/২৫৬) আবূ উমামাহ -এর হাদীস থেকে বর্ণনা করেছেন যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
«لله عند كل فطر عتقاء»
“আল্লাহর রয়েছে প্রতি ফিত্বরে (ইফত্বারের সময় জাহান্নাম থেকে) মুক্তিপ্রাপ্ত বান্দারা।”
আল-মুনযিরী বলেছেন এর ইসনাদে কোনো সমস্যা নেই। আর আল-আলবানী এটিকে ‘সাহীহুত তারগীব’ (৯৮৭) - এ সহীহ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
অনুরূপ আল-বাযযার (কাশফ ৯৬২) আবূ সা’ঈদের হাদীস থেকে বর্ণনা করেছেন যে তিনি বলেছেন :
«إن لله تبارك وتعالى عتقاء في كل يوم وليلة _ يعني في رمضان _ وإن لكل مسلم في كل يوم وليلة دعوة مستجابة»
“নিশ্চয়ই আল্লাহ তাবারাকা ওয়া তা‘আলার রয়েছে (রমযান মাসে) প্রতি দিনে ও রাতে (জাহান্নাম থেকে) মুক্তিপ্রাপ্ত বান্দাগণ আর নিশ্চয়ই একজন মুসলিমের রয়েছে প্রতি দিনে ও রাতে কবুল যোগ্য দো‘আ।”

৭. রমযান মাসে সাওম পালন করা পূর্ববর্তী রমযান থেকে কৃত গুনাহসমূহের কাফফারাহ লাভের কারণ যদি বড় গুনাহসমূহ (কাবীরাহ গুনাহসমূহ) থেকে বিরত থাকা হয়, যেমনটি প্রমাণিত হয়েছে ‘সহীহ মুসলিম (২৩৩)-এ যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
«الصلوات الخمس , والجمعة إلى الجمعة , ورمضان إلى رمضان , مكفرات ما بينهن إذا اجتنبت الكبائر»
“পাঁচ ওয়াক্বতের পাঁচবার সালাত, এক জুমু‘আহ থেকে অপর জুমু‘আহ, এক রমযান থেকে অপর রমযান এর মাঝে কৃত গুনাহসমূহের কাফফারাহ করে যদি বড় গুনাহসমূহ (কাবীরাহ গুনাহ সমূহ) থেকে বিরত থাকা হয়।”

৮. এই মাসে সাওম পালন করা দশ মাসে সিয়াম পালন করার সমতুল্য যা ‘সহীহ মুসলিম’ (১১৬৪)-এ প্রমাণিত আবূ আইয়ূব আল-আনসারীর হাদীস থেকে নির্দেশনা পাওয়া যায় যে তিনি বলেছেন :
«من صام رمضان , ثم أتبعه ستا من شوال كان كصيام الدهر»
“যে রমযান মাসে সিয়াম পালন করল, এর পর শাউওয়ালের ছয়দিন সাওম পালন করল, তবে তা সারা জীবন সাওম রাখার সমতূল্য”।
আর ইমাম আহমাদ (২১৯০৬) বর্ণনা করেছেন যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন :
«من صام رمضان فشهر بعشرة أشهر ، وصيام ستة أيام بعد الفطر فذلك تمام السنة»
“যে রমযান মাসে সাওম পালন করল, তা দশ মাসের (সাওম পালনের) সমতূল্য আর ‘ঈদুল ফিত্বরের পর (শাউওয়ালের মাসের) ছয় দিন সাওম পালন করা গোটা বছরের (সাওম পালনের) সমতূল্য।”[1]

৯. এই মাসে যে ইমামের সাথে, ইমাম সালাত শেষ করে চলে যাওয়া পর্যন্ত ক্বিয়াম করে, সে সারা রাত ক্বিয়াম করেছে বলে হিসাব করা হবে যা ইমাম আবূ দাঊদ (১৩৭০) ও অন্য সূত্রে আবূ যার -রাদিয়াল্লাহু আনহু- এর হাদীস থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে তিনি বলেছেন যে রাসূলুল্লাহ - সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম- বলেছেন :
«إنه من قام مع الإمام حتى ينصرف كتب له قيام ليلة»
“যে ইমাম চলে যাওয়া পর্যন্ত তাঁর (ইমামের) সাথে ক্বিয়াম করল, সে সারা রাত ক্বিয়াম করেছে বলে ধরে নেয়া হবে।”
আল-আলবানী ‘সালাতুত-তারাউয়ীহ’ বইতে (পৃঃ১৫) একে সহীহ বলে চিহ্নিত করেছেন।

১০. এই মাসে ‘উমরাহ করা হাজ্জ করার সমতুল্য। ইমাম বুখারী (১৭৮২) ও মুসলিম (১২৫৬) ইবন ‘আব্বাস থেকে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের এক মহিলাকে প্রশ্ন করলেন:
«ما منعك أن تحجي معنا ؟ قالت : لم يكن لنا إلا ناضحان , فحج أبو ولدها وابنها على ناضح , وترك لنا ناضحا ننضح عليه , قال : فإذا جاء رمضان فاعتمري , فإن عمرة فيه تعدل حجة»
“কিসে আপনাকে আমাদের সাথে হাজ্জ করতে বাঁধা দিল?” তিনি (আনসারী মহিলা) বললেন: আমাদের শুধু পানি বহনকারী দুটি উটই ছিল। তাঁর স্বামী ও পুত্র একটি পানি বহনকারী উটে করে হাজ্জে গিয়েছেন। আর আমাদের পানি বহনের জন্য একটি পানি বহনকারী উট রেখে গেছেন।” তিনি (রাসূলুল্লাহ) বললেন: “তাহলে রমযান এলে আপনি ‘উমরাহ করেন কারণ, এ মাসে ‘উমরাহ করা হাজ্জ করার সমতুল্য।”
মুসলিমের বর্ণনায় এসেছে: “আমার সাথে হাজ্জ করার সমতুল্য।”

১১. এ মাসে ই‘তিকাফ করা সুন্নাহ। কারণ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা নিয়মিতভাবে করতেন যেমনটি বর্ণিত হয়েছে ‘আয়েশাহ্ -রাদ্বিয়াল্লাহু ‘আনহা-থেকে –
«أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَعْتَكِفُ الْعَشْرَ الأَوَاخِرَ مِنْ رَمَضَانَ حَتَّى تَوَفَّاهُ اللَّهُ تَعَالَى , ثُمَّ اعْتَكَفَ أَزْوَاجُهُ مِنْ بَعْدِهِ»
“আল্লাহ তাঁকে (রাসূলুল্লাহকে) ক্বাবদ্ব (কবজ, মৃত্যু দান) না দেওয়া পর্যন্ত রমযানের শেষ দশ দিনে ই‘তিকাফ করতেন। তাঁর পরে তাঁর স্ত্রীগণও ই‘তিকাফ করেছেন।” [বুখারী (১৯২২) ও মুসলিম (১১৭২)]

১২. রমযান মাসে কুরআন অধ্যয়ন ও তা বেশি বেশি তিলাওয়াত করা খুবই তাকীদের (তাগিদের) সাথে করণীয় এক মুস্তাহাব্ব (পছন্দনীয়) কাজ। আর কুরআন অধ্যয়ন হল একজন অপরজনকে কুরআন পড়ে শোনাবে এবং অপরজনও তাকে তা পড়ে শোনাবে। আর তা মুস্তাহাব্ব হওয়ার দালীলঃ
أَنَّ جِبْرِيلَ كَانَ يَلْقَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي كُلِّ لَيْلَةٍ مِنْ رَمَضَانَ فَيُدَارِسُهُ الْقُرْآنَ رواه البخاري ( 6 ) ومسلم ( 2308 ) “জিবরীল রমযান মাসে প্রতি রাতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে সাক্ষাৎ করতেন এবং কুরআন অধ্যয়ন করতেন।” [বুখারী (৬) ও মুসলিম (২৩০৮)] কুরআন ক্বিরা‘আত সাধারণভাবে মুস্তাহাব্ব, তবে রমযানে বেশি তাকীদযোগ্য।

১৩. রমযানে সাওম পালনকারীকে ইফত্বার করানো মুস্তাহাব্ব যার দলীল যাইদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী হতে বর্ণিত হাদীস যাতে তিনি বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : «مَنْ فَطَّرَ صَائِمًا كَانَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِهِ , غَيْرَ أَنَّهُ لا يَنْقُصُ مِنْ أَجْرِ الصَّائِمِ شَيْئًا» “যে কোন সাওম পালনকারীকে ইফত্বার করায়, তার (যে ইফত্বার করালো) তাঁর (সাওম পালনকারীর) সমান সাওয়াব হবে, অথচ সেই সাওম পালনকারীর সাওয়াব কোন অংশে কমে না”। [আত-তিরমিযী(৮০৭), ইবনু মাজাহ (১৭৪৬) এবং আল-আলবানী ‘সহীহ আত তিরমিযী’(৬৪৭) তে একে সহীহ বলে আখ্যায়িত করেছেন]


#সেহরী ও ইফতারের ক্যালেণ্ডার 2020 ctg
#2020 ramadan calender for sylhet
#dahka 2020ruja list
#রোজা থাকা ক্যালেনডার 2020

করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির অবস্থান ম্যাপে দেখুন এবং সতর্ক হোন।

করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির অবস্থান সরাসরি ম্যাপ এ দেখুন।

করোনাভাইরাস, করোনাভাইরাস এ বাংলাদেশের  আক্রান্ত সংখা।covid19 carona virus
Bangladesh covid19 effected details

আপনি কি জানেন? আপনার জেলা অথবা আপনার শহরে কতজন করোনাভাইরাস দ্বারা  আক্রান্ত। তবে দেরি না করে এখনি দেখে নিন ।


বাংলাদেশের একমাত্র সাইট প্রিয় ডটকম করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তি ও তার অবস্থান দিয়ে একটি ম্যাপ তৈরি করেছে। যার দ্বারা ম্যাপে আমরা ঘরে বসে দেখে নিতে পারতেছি, কোন এলাকা থেকে কতজন আক্রান্ত এ ভাইরাসে।

করোনাভাইরাস পৃথিবীতে এক মহামারী রোগ সৃষ্টি করেছে। এ রোগের কোন ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। এজন্য সরকার কড়া নির্দেশ দিয়েছে। তা আমাদের মেনে চলতে হবে।
করোনাভাইরাস অসুখ প্রতিরোধের জন্য বর্তমানে কোনও ভ্যাকসিন নেই (COVID-19)।

আপনি সংক্রমণের ঝুঁকি কম করতে পারবেন যদি:
অ্যালকোহল ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করেন বা সাবান এবং জল দিয়ে ঘন ঘন হাত পরিষ্কার করেন
কাশি ও হাঁচি দেওয়ার সময় নাক এবং মুখ টিস্যু বা কনুই দিয়ে ঢেকে নেন।
ঠান্ডা লেগেছে বা ফ্লু জাতীয় উপসর্গ রয়েছে এমন কারও সংস্পর্শ এড়িয়ে (১ মিটার বা ৩ ফুট) চলেন।

হ্যালো ভিউয়ার্স আপনি যদি ব্লগ থেকে উপকৃত হন। তাহলে অবশ্যই আপনার বন্ধুকে পোস্টটি শেয়ার করে দিবেন। এছাড়া পোস্টটি প্রিয়জনদের কাছে শেয়ার করে তাদেরকেও সতর্কতাঃ করুন।

বাংলা গান ডাউনলোড - করার ৫ টি ওয়েবসাইট। Mp3 ডাউনলোড ।

বাংলা গান শুনতে কে না পছন্দ করেন । আপনি যদি বাঙালি হয়ে থাকেন, তবে অবশ্যই আপনার মাতৃভাষার গান আপনাকে আকৃষ্ট করে । তাইতো আপনি বাংলা গান কে আপনার সাথে রাখতে আজ গুগলে সার্চ করলেন, বাংলা গান ডাউনলোড কিভাবে করা যায় ।

বাংলা গান ডাউনলোড করতে অনেক সমস্যায় পড়তে হয় জানেন না যে বাংলা গান কোথা থেকে ডাউনলোড করতে হয় অনেক ওয়েব সাইটে ডাউনলোডের জন্য সার্চ এ প্রথমে পেয়ে যাবেন তবে তাদের ওয়েবসাইটে অসংখ্য অ্যাডভার্টাইজমেন্ট এর কারণে আপনার ওয়েবসাইটে টিকতেই পারেন না ভালোভাবে দেখতে পারেন না ওয়েবসাইটের তথ্যগুলি।

বাংলা-গান-ডাউনলোড,Download,বাংলা-গান,বাংলা,গান,ডাউনলোড


ইউটিউব বিশ্বের সবথেকে ভিডিও ,অডিও গান, বা সোশ্যাল মিডিয়া জগতের একটি বড় প্ল্যাটফর্ম, যেখানে সবকিছু অতি সহজে পাওয়া যায়। কিন্তু, ইউটিউব দেখতে প্রচুর পরিমাণে এমবি লাগে। একটিগান আপনার পছন্দ হলে, গানটি আপনি পুনরায় দেখতে গেলে আপনাকে আবার এমবি খরচ করে দেখতে হয়। "তাই বলবো বাংলা গান ডাউনলোড করে আপনার মেমোরিতে সেভ করে রাখাই উত্তম"।

তাই এমবি বারেবারে খরচ করতে না চাইলে, এর একটি সমাধান মোবাইল কিংবা কম্পিউটারে মেমোরি গান ডাউনলোড করে সেভ করে রাখতে হবে। যাতে=গান গুলো আপনি পুনরায় শুনতে পারেন, বাংলা গান ডাউনলোড করার জন্য আগে অনেক ডাউনলোড ওয়েবসাইট ছিল। যেগুলো অনেক ট্রাস্টেড ছিল গুগোল এ সার্চ করে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় গানগুলা ডাউনলোড করে নিতে পারতেন।

কিন্তু, "অসাধু কিছু ওয়েবসাইট গুলা তাদের ব্যবসা করার জন্য বর্তমানে অনেক ওয়েবসাইট তৈরি হয়েছে"। যারা কিনা অনেক অ্যাডভার্টাইজমেন্ট এক্সাইটেড করে রাখে৷ যার কারণে ভালো ওয়েবসাইটগুলো গুগলের সার্চ বক্সে প্রথমে আসে না৷ এর কারনে ভালো ওয়েবসাইট গুলা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে তাই আপনারা বাংলা গান ডাউনলোড করতে সমস্যায় পড়ছেন খুঁজে পাচ্ছেন না। আপনার কাঙ্খিত গানটি ডাউনলোড করতে ফ্রিতে সম্ভব হয় না।


তাই আমি আপনাদেরকে এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে পরিচয় করিয়ে দিব, 'বর্তমানের সেরা পাঁচটি ডাউনলোড ওয়েবসাইটের সাথে'।
যেখানে আপনি সকল ধরনের  বাংলা অডিও ভিডিও গান ডাউনলোড, ফ্রিতে করতে পারবেন কোনরকম সমস্যা ছাড়াই ।
 আপনি যদি এই আর্টিকেলটি পুরো মনোযোগ দিয়ে পড়েন তাহলে আপনার বাংলা গান ডাউনলোড নিয়ে কোন ঝামেলায় পড়তে হবে না।

বাংলা গান ডাউনলোড - করার ৫ টি ওয়েবসাইট।

1■fusionbd.com:বাংলা গান ডাউনলোড করুন ফ্রিতে করার জন্য বাংলাদেশের সেরা ওয়েবসাইট হিসেবে এক কথাই মেনে নিবে ফিউশন বিডি এই ওয়েবসাইটটি কে। এই ওয়েবসাইটটি গান ডাউনলোড করার জন্য সবথেকে জনপ্রিয় ওয়েবসাইট। এখানে আপনি সকল ধরনের গান সবার আগে পাবলিশ করা হয়।
আমি এটি কোন ধরনের মার্কেটিং এর জন্য বলছি না। বা ইনকামের জন্য এ কথা বলছি না। 
এ সাইটটি ইউজার ফ্রেন্ডলি একটি ওয়েবসাইট এ সাইটে ইউজারদের সর্বোচ্চ সুবিধা দিয়ে থাকে এই ওয়েবসাইটটি গ্লোবাল রেঙ্কিং এ ৫০০০০ এর ভিতরে রয়েছে এবং বাংলাদেশের মধ্যে সেরা ২০০ সাইটের ভিতরে একটি সাইট ডাউনলোড করার জন্য ফ্রিতে এর থেকে ভালো সাইট নাই বললেই চলে সাইটটি অতি সুন্দর ভাবে গুছিয়ে রাখা সাইটটিতে রয়েছে অসংখ্য ধরনের গান পেয়ে যাবেন বাংলাদেশের বিখ্যাত গানগুলি ভাটিয়ালি বাউল ছাড়াও সকল বাংলা গান হিন্দি, কলকাতার, বাঁকুড়ার বাংলা গান আর সাইটটিতে যেমন বিজ্ঞাপন নাই তাই ইউজারদের ওয়েবসাইটটি থেকে গান ডাউনলোড করতে তেমন সমস্যা করতে হবে না

2■sumirbd.mobi:এই সাইটটিও জনপ্রিয় ও মানসম্মত ওয়েবসাইট এই সাইটটি থেকে আপনি সকল ধরনের গান পেয়ে যাবেন সহজেই ডাউনলোড ও করতে পারবেন। ইন্ডিয়ার সকল টিভি চ্যানেলের=বাংলা , ইংলিশ, হিন্দি, তামিল ,উর্দু গান ইত্যাদি পেয়ে যাবেন। এই সাইটটি ইউজারদের জন্য ব্যবহার করতে খুবই সুবিধা হবে সাইটটি ইউজার ফ্রেন্ডলি সকল ইউজার সাইট ব্যবহারে কোন ধরনের সমস্যায় পড়তে হবে না তাই  গান ডাউনলোড করতে পারবেন সাইট ইউজার ফ্রেন্ডলি হওয়ার কারণে খুব অল্প সময়ে জনপ্রিয় হয়েছে বাংলাদেশের মানুষের কাছে

আপনি খুব ভালো আপডেট পেয়ে থাকবেন এই ওয়েবসাইটটি থেকে কম মেগাবাইটে ডাউনলোড করার জন্য খুবই ভালো একটি ওয়েবসাইট ইউজাররা তাদের সুবিধামতো কালেকশন করতে পারেন এই ওয়েবসাইট থেকে তাই আপনিও ব্যবহার করতে পারেন আর্টিকেলে দেওয়া পাঁচটি ওয়েবসাইটের সকল ওয়েবসাইটগুলি।


3■music.com.bd:বাংলা গান ডাউনলোড ফ্রিতে করার জন্য মিউজিক ডটকম ডট বিডি অনেক জনপ্রিয় এই সাইটের মাধ্যমে আপনি ফ্রিতে যেকোন ধরনের গান ডাউনলোড করতে পারবেন এই সাইটটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠার কারণ ওয়েবসাইটে অধিক তর বাংলা গান আপলোড করা হয় তাই বাংলা ভাষার মানুষদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে আপনি যদি আগে কখনো গান ডাউনলোড করে না থাকেন কোন ওয়েবসাইট থেকে সাধারণভাবে আপনার কোন ধারনা থাকবে না তবে আপনি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করলে বুঝতে পারবেন=ডাউনলোড করার কার্যক্রম ৷

ডাউনলোড ফ্রি তে করার জন্য আপনি যদি ঝামেলায় বিরক্ত বোধ করেন তবে এই সাইটে আপনার জন্য আশাকরি আপনি সাইটি থেকে সকল ধরনের গান ডাউনলোড করতে পারবেন এই ওয়েব সাইটের সকল ধরনের গান আপলোড করে থাকে এটি আপনার জন্য একটি বেস্ট সাইট হতে পারে

4■muzicbd.net:মিউজিক বিডি একটিি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট আপনি যদি মোবাইলে ডাউনলোড'করেন । তবে আপনার জন্য একটি ইউজাার ফ্রেন্ডলি ওয়েবসাইট হবে অন্যান্য চারটি সাইটে ইংলিশ তামিল, হিন্দি ,স্প্যানিশ সহ সকল দেশের গান আপনি ডাউনলোড করতে পারবেন। ওয়েবসাইটটি রেংকিংয়ে ও বেশ ভালো বাংলাদেশের মানুষদের কাছ ও ইন্ডিয়ার কলকাতার বাংলাভাষী মানুষরা ওয়েব সাইটটি ভিজিট করে থাকেন। ওয়েবসাইট ইউজার ফ্রেন্ডলি।

আপনি কোন ঝুট-ঝামেলা ছাড়াই গান ডাউনলোড করতে পারবেন সহজেই অন্য চারটি সাইটের মতই এটিও একটি বড় ওয়েবসাইট এখানে আপনি ভিজিট করে আপনার পছন্দের গানটি ডাউনলোড করতে পারবেন।

5■gaana.com: আপনারা অনেকেই হয়তো টিভিতে gaana.com এর এডস দেখে থাকবেন। এটি একটি জনপ্রিয়় ওয়েবসাইট এখানে সকল দেশের গান সবার আগে আপলোড করা হয়। এই ওয়েবসাইটটি মোবাইল ও ল্যাপটপ পিসি উভয় জায়গাতেই ইউজ করা যায়। এটি ইউজার ফ্রেন্ডলি টেমপ্লেট দ্বারা গঠন করা হয়েছে। যার মাধ্যমেে অতি আপনি আপনার কাঙ্খিত গানটি ডাউনলোড করতে পারবেন।
ওয়েবসাইটে গানা লিখে সার্চ দিলে দেখবেন সবার প্রথমে ওয়েবসাইটটি শো করছে, এবং আপনি ভাষা সিলেক্ট করে আপনার নিজের ভাষার গানটি ডাউনলোড করতে পারবেন ।ভারতের পাঞ্জাবি গান বেশ জনপ্রিয় তাই আপনি পাঞ্জাবি হিন্দি্ মারাঠি গুজরাটি তামিল গান ফ্রিতে ডাউনলোড করতে পারবেন ।
 

পরিশেষে

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পরার জন্য । আমি আশা করি  এ আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকলে আপনার আর বাংলা গান ডাউনলোড নিয়ে কোন সমস্যা হবে না৷
তারপরও কোন ধরনের সমস্যা থাকলে তা অবশ্যই কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাবেন।
আমার আর্টিকেলটি ভালো লাগলে অবশ্যই আপনার ফ্রেন্ডের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।

ধন্যবাদ আমাদের ওয়েবসাইটটি ভিজিট করার জন্য।

লিউকিমিয়া কি ? লিউকিমিয়া রোগ নির্ণয় - লক্ষণ ও চিকিৎসা।

লিউকিমিয়া

লিউকিমিয়া কি? লিউকেমিয়া কাকে বলে?
ক্তে শ্বেত কণিকার (W.B.C) অস্বাভাবিক বৃদ্ধি এবং রক্তে অপরিণত শ্বেত কণিকার প্রবেশ হলে, তাকে লিউকিমিয়া রোগ বলে । রক্তের স্বাভাবিক শ্বেতকণিকা 7000 হতে বৃদ্ধি পেয়ে 60000 বা, এর থেকে অধিক হইলে নিউকিমিয়া রোগ হয়ে থাকে ।

লিউকিমিয়া কি ? লিউকিমিয়া রোগ নির্ণয় ,লক্ষণ , চিকিৎসা।

অনেকে ইহা কে রক্তের ক্যানসার বলে থাকেন। ইহা একটি মারাত্মক ব্যাধি । এই রোগের বিশেষ কোনো কারণ জানা যায় নাই। অল্প সময়ে এই রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে। বয়স্ক্ লোকের তুলনায়় শিশুরা এই রোগে বেশি ভুগে থাকে। এই রোগের সুচিকিৎসা অবশ্য কর্তব্য।

লিউকেমিয়া রোগের লক্ষণ

১ ৷ আক্রান্ত ব্যক্তির জ্বর হয় ।
২ । ঘুসঘুসে জ্বরের ফলে রোগী রক্তহীন হয় ।
৩ । গলা ব্যথা দাঁতের গোড়া নাক প্রভৃতি স্থান হইতে রক্তপাত হতে পারে বা হয় ।
৪ । রোগীর লিভার ও প্লীহা খুব বৃদ্ধি পায় ।

লিউকেমিয়া রোগ নির্ণয়

ম্যালেরিয়া, কালাজ্বর বা, Vit.B12 -এর অভাবে লিউকেমিয়া হয়ে থাকে তাদের এই রোগের লক্ষণ মিল থাকতে পারে। সেজন্য-

১। রোগীর রক্ত পরীক্ষা করতে হবে ।
২। এলডিহাইড টেস্ট বা ব্লাড ফিল্ম করলে অন্য রোগ হতে পৃথক করা সহজ হয়।

● সহজ কথা রক্ত পরীক্ষা করে  এই রোগ নির্ণয় করতে হয়।

চিকিৎসা

১। ইহার ফলপ্রসূ কোন চিকিৎসা নাই। তবে এমন পর্যায়ে রোগীকে অপরিপক্ক হাতে না রাখিয়া বড় হাসপাতালে চিকিৎসা করানো ভালো।
২। Blood Transfusion দিলে রোগী কে অল্পকিছুদিন বাঁচানো যায়।
৩। নিয়মিত ভাবে Tab. Prednisolone খেতে দিতে হবে।
৪। Inj. Crystalline penicillin বা Benzyl Penicillin ৮/১০ লাখ দিনে একবার।
৬। উপরোক্ত চিকিৎসায় কাজ না হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে রাখতে হবে।

The most shocking scientist experiments in the world .Shocking Experiment

The most shocking scientist in the world 

Shocking experiment

If you know anything about science, then you must know that no matter when science believes the correct evidence is given, scientists work hard for their own experiment. Experiments that are absolutely from our social point of view Inappropriate.

Yet the scientists did them. They were all experiments that the government did not take the time to send these scientists to jail after all the experiments you could say shocking.

 And you can call all these experiments scientist crazy, but by doing this experiment you will certainly know something new and that is the sole purpose of this blog.